সংখ্যা : ১ম  ২য়  ৩য় ৪থ©   7g

 

 

 

 

 

 

সুপ্র-র পিআরএসপি ও বাজেট ২০০৭-০৮ ক্যাম্পেইন
গণমানুষের অর্থনৈতিক দর্শনের আলোকে একটি পর্যালোচনা
 



গত ১৬ জুন শেষ হয়ে গেল সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) আয়োজিত জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে বাজেট ক্যাম্পেইন ২০০৭-০৮ ৷ বাজেটকে সামনে রেখে সুপ্র জাতীয় পর্যায়সহ ৪৬ জেলায় গত ১- ৩১ মে ২০০৭ পর্যন্ত প্রচারাভিযান সংঘটিত করেছে ৷ গত ৭ জুন বাজেট ঘোষণার পর সুপ্র জাতীয় প্রেস কাবে বাজেটের ওপরে বিশ্লেষণধর্মী মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেছে ৷ জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত এ সেমিনারের আলোকে ৪৬ জেলায়ও সুপ্র জেলা কমিটি বাজেট নিয়ে পর্যালোচনা সভা করেছে  এবং সভা শেষে বাজেটে তার পরামর্শ বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ওয়েব সাইটে পাঠিয়ে দিয়েছে ৷ এর আগেও প্রাক-বাজেট সেমিনারের প্রত্যাশাগুলো তারা ফ্যাক্সযোগে  প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টা বরাবর পাঠিয়েছিল এবং জাতীয় পর্যায়ে সেমিনার হয়েছিল ১৫ এপ্রিল ২০০৭৷ এপিল থেকে জুন পুরো তিন মাস জুড়ে চলেছে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে সুপ্র'র বাজেটভিত্তিক কার্যক্রম

সুপ্র ২০০২ এর গোড়া থেকে পিআরএসপি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নাগরিক সমাজের, বিশেষ করে তৃণমূলের অংশগ্রহণের জন্য কাজ করে আসছে
৷ এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৫ থেকে বাজেট ঘোষণার আগে ও পরে প্রচারাভিযান সংগঠিত করে আসছে ৷ সুপ্র মনে করে, যেহেতু গত তিন বছর ধরে আমাদের জাতীয় বাজেট হচ্ছে পিআরএসপি'র আলোকে ৷ তাই বাজেট বিশ্লেষণের পাশাপাশি গত তিন বছরে পিআরএসপি'র অগ্রগতিও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন ৷ আর সুপ্র এটা করছে গণমানুষের রাজনৈতিক দর্শনের আলোকে

এই ক্যাম্পেইন এর মূল উদ্দেশ্য হল, তৃণমূলের বিশেষ করে জেলা পর্যায়ের নাগরিক সমাজকে বাজেট নিয়ে সচেতন করা এবং বার্ষিক বাজেট প্রণয়নে দারিদ্র্যবান্ধব বিষয়গুলোতে নীতি নির্ধারকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা
৷ এ সমস্ত প্রচারাভিযানে সুপ্র-র মৌলিক বিষয় হল, আলোচনা-সমালোচনার অর্থনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি হল দেশ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী৷ সুপ্র মনে করে, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবি মূলত: মূক্ত বাজার অর্থনীতির নামে উন্নত দেশ সমূহের বহুজাতিক কোম্পানীগুলোর জন্য বাজার তৈরী করে, তারা রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক ভূমিকাগুলোকে খর্ব করে ৷ এভাবে তাদের অর্থনেতিক দর্শন দ্বৈতনীতিতে ভরপুর, অর্থাত্‍ তারা তাদের (উন্নত দেশসমূহে) দেশে যা করে, তা আমাদের মতো গরীব দেশে তা করতে দেয় না ৷ মূলত: এই আলোচনা নিয়ে সুপ্র এবারও তার বাজেট ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে
 


জাতীয় পর্যায়ে বাজেট নিয়ে তৃণমূলের পর্যালোচনা
বাজেটে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ'র মুক্ত বাজার অর্থনীতির বিকাশ প্রতিফলিত হয়েছে, উপেতি হয়েছে গণমানুষের স্বার্থ    


 

বাজেটে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ'র মুক্ত বাজার অর্থনীতির বিকাশ প্রতিফলিত হয়েছে, উপেw¶Z হয়েছে গণমানুষের স্বার্থ৷ কারণ এই বাজেট বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ নির্ভর এবং এই বাজেটে প‡iv করের আওতা বাড়ানো হয়েছে৷ যার ফলে তিগ্রস্ত হবে দরিদ্র মানুষ৷ আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌছেছে, এই পরিস্থিতিতে আমরা কেন ১.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণের ওপর নির্ভর করে বাজেট করব৷ আমাদের নিজেদের সম্পদ দিয়েই বাজেট করতে হবে ৷ গত ১০ জুন ২০০৭ ঢাকায় জাতীয় প্রেস কাবের কনফারেন্স হলে "পিআরএসপি'র প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি; বাজেট নিয়ে তৃণমূলের পর্যালোচনা" শীর্ষক সেমিনারে সুপ্র'র জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন৷ বাজেট ক্যাম্পেইনের সর্বশেষ কর্মসূচি হিসেবে সুপ্র এই সেমিনারের আয়োজন করে৷

তারা বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিবেচনা করে এবারের বাজেট করা হয়েছে৷ কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ে কি করে সাধারণ জনগণের হাতে সম্পদ পৌছাতে পারে তার কোন দিক নির্দেশনা বাজেটে নেই ৷ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যাপারেও কোন নির্দেশনা বাজেটে নেই৷ মানুষের কর্মসংস্থান না থাকার কারণে শুল্ক কমিয়ে পণ্য আমদানির করেও কোন কার্যকর ফল পাওয়া যাবে না ৷ কারণ ক্রয়মতা না থাকার কারণে মানুষ পণ্য কিনতে পারবে না

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও সভাপতিত্ব করেন সুপ্র সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরি৷ সেমিনারে সুপ্র নেটওয়ার্কের ৪৬ জেলার নেতৃবৃন্দ বাজেটে তাদের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার পর্যালোচনা করেন এবং সে প্রেwত বিভিন্ন ইসু্যতে তাদের সুস্পষ্ট সুপারিশ তুলে ধরেন৷ এই সুপারিশ গুলো নিয়ে তারা জেলা পর্যায়ে সেমিনার করেন এবং বাজেট ফিডব্যাকের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পাঠান

সুপ্র নেতৃবৃন্দ বলেন, অঞ্চলভিত্তিক দারিদ্র অবসানে অঞ্চলভিত্তিক বরাদ্দের পাশাপাশি গণমনিটরিং প্রয়োজন৷ এ জন্য তারা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বাজেটে তাদের জন্য বরাদ্দ তা সংশিষ্ট বিভিন্ন অফিসে টাঙিয়ে রাখার পরামর্শ দেন
৷ যা থেকে ঐ অঞ্চলের মানুষ বুঝতে পারবে বাজেটে তাদের জন্য কত বরাদ্দ রয়েছে এবং তার কতটুকু বাস্তবায়িত হল৷ এজন্য তারা রাইট টু ইনফরমেশন এক্ট বাস্তবায়নের দাবি জানান৷ এই সেমিনারে জেলা পর্যায় থেকে পাঠানো প্রত্যাশাগুলো বাজেটে কতটা প্রতিফলিত হয়েছে তাও পর্যালোচনা করা হয়


জেলা পর্যায়ে বাজেট নিয়ে তৃণমূলের পর্যালোচনা
কৃষি ও স্থানীয় শিল্পকে বাচিঁয়ে রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান


জাতীয় পর্যায়ে বাজেট পর্যালোচনার আলোকে গত ১২-১৬ জুন জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হল বাজেট নিয়ে তৃণমূলের পর্যালোচনা সভা ৷ এখানে জেলা পর্যায়ে সুপ্র নেতৃবৃন্দ বাজেটকে দেখেছেন প্রাক বাজেট সেমিনার থেকে পাঠানো প্রত্যাশা ও সুপারিশের আলোকে৷ আলোচনা শেষে পরামর্শগুলো তারা ফিডব্যাক দেয়ার নির্ধারিত ওয়েব সাইটে পাঠিয়ে দেন৷ সুপ্র চায়, বাজেট নিয়ে আলোচনা ঢাকা কেন্দ্রিক না হয়ে জেলা পর্যায়ে বাজেট নিয়ে আলোচনা হোক ৷ বিশ্লেষণধর্মী সিভিলসোসাইটি তৈরি হোক৷ যারা জাতীয় পর্যায়ে গণমানুষের প্রত্যাশাগুলোকে প্রতিফলিত করবেন

জেলা পর্যায়ে বাজেট পর্যালোচনা হয়েছে মূলত স্থানীয় Bmy¨ ও শি¶v, স্বাস্থ্য, পানি, কৃষি ও we`y¨ বিষয়ে বরাদ্দ ও এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে৷ বিশেষ করে কৃষিতে ভতুর্কি বৃদ্ধি কৃষকদের আশ্বান্বিত করছে কিন্তু এর পাশাপাশি তার এ আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে এই ভতুর্কি যেন সত্যিকার কৃষিকের কাছে পৌছায়৷ পাশাপাশি তারা স্থানীয় ¶–দ্র ও কুটির শিল্পগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা চেয়েছেন৷ তারা বলেছেন, সরকার যদি সবকিছু বাজার উন্মুক্ত করে দেয় তাহলে দেশীয় শিল্প বিদেশী পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে হারিয়ে যাবে ৷ যেমন, জামালপুরের নকশী কাঁথা৷ এটা শুধু আমাদের ঐতিহ্য নয় আমাদের গ্রামীণ কর্মসংস্থানের অন্যতম উত্‍স৷ জনসেবা খাতগুলোতে সুপ্র বলেছে জনসেবা খাতে মানুষের অভিগম্যতা মানুষের অধিকার এগুলোকে বেসরকারী খাতে দেয়া যাবে না ৷ কারণ বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষ টাকা দিয়ে এই সেবা কিনতে পারবে না ৷ তাই এই খাতগুলো অবশ্যই রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে

সুপ্র মনে করে সারাদেশে দরিদ্র মানুষের প্রত্যাশা ও পরামর্শ সুপ্র'র এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে উঠে এসেছে৷ বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সুপ্র সারাদেশে এরকম একটি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে পারার জন্য জেলা পর্যায়ের সুপ্র নেতৃবন্দ ছাড়াও প্রশাসন, গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে কৃতজ্ঞ৷ কারণ সুপ্র মনে করে, রাষ্ট্রীয় নীতি কৌশল প্রণয়ণে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতামত দেওয়া উচিত
৷ এদিক থেকে বাজেটে পরবর্তী পরামর্শগুলো যথাযথ কতৃপরে কাছে পৌছানোর ব্যবস্থা করেছেন এজন্য সরকারকে আমরা ধণ্যবাদ জানাই ৷ এবং সারাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাজেটভিত্তিক কার্যক্রম সরকারকে এবং গণমূখী ও দরিদ্রবান্ধব বাজেট বাস্তবায়নে সহায়তা করবে


বাজেটকে সামনে রেখে সুপ্র'র দাবিসমূহ


২০০৭-০৮ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে সুপ্র'র ৪৬ টি জেলা কমিটির বাজেট পর্যালোচনা সভা থেকে প্রাপ্ত সুপাশিসমূহ নীচে তুলে ধরা হল৷ যেগুলো সচিবালয় থেকে কমপাইল করে অর্থমন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়েছে৷
 

শি¶v
১. বেকার সমস্যা সমাধানে কর্মমুখী শি
¶v ব্যবস্থা প্রণয়ন করতে হবে
২. মূল বাজেটে শি
¶v বাজেট থেকে মাদ্রাসা শি¶v , ক্যাডেট কলেজ ও সামরিক শি¶vর ব্যয় বাদ দিতে হবে
৩. শি
¶v খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও সর্বজনীন শি¶v নীতি প্রণয়ন করতে হবে
৪. প্রাথমিক শি
¶v†¶‡ত্র স্থানীয় সরকারের ওপর জবাবদিহিতার দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে
৫. শি
¶vভাতা ও উপবৃত্তির লিকেজ কমিয়ে আনতে হবে৷

স্বাস্থ্য

১. উত্তরাঞ্চল দারিদ্র পীড়িত এলাকা
৷ ফলে এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ থাকতে হবে  
২. প্রতিবন্ধী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য উন্নয়নে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে

৩.
ভষজ চিকিত্‍সা খাতকে উত্‍সাহিত করতে হবে ৷ এই চিকিত্‍সাকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় এনে এর সপ্রসারণ, সংর
ণ ও গবেষণার কাজ এগিয়ে নিতে হবে
৪. উপজেলা ও
জলা হাসপাতাল সমূহে কি পরিমাণ বাজেট বরাদ্দ রয়েছে তা প্রকাশ্য স্থানে ঝুলিয়ে দিতে হবে এবং এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের মনিটরিং থাকতে হবে

কৃষি

১. দেশীয় বীজ সংরনের জন্য প্রতিটি উপজেলায় দেশীয় বীজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে

২. সার ও কীটনাশকের ব্যবহার ক্রমান্বয়ে কমিয়ে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিতে হবে

৩. মাঠ পর্যায়ে কৃষি উপকরণের প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে

৪. কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা জরুরি

৫. কৃষিতে
fZz©wKi পরিমাণ ১০% করতে হবে৷ বাজেটে কৃষি খাতে যে ভর্তুকি বরাদ্দ করা হয় তার বেশিরভাগ চলে যায়          ডিলার, ব্যবসায়ী ও মধ্যসত্ত্বভোগীদের হাতে৷ সুতরাং কৃষক যাতে সরাসরি ভর্তুকি গ্রহণ করতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে
৬. ডিজেলের দাম কমাতে হবে এবং ডিজেলে
fZz©wKi পরিমাণ বাড়াতে হবে ৷ নলকূপ দিয়ে ভূগর্ভস্থ পানি তুলতে ডিজেল ও we`y¨‡Z সাবসিডি না দিয়ে প্রাকৃতিক জলাশয় গড়ে তুলতে হবে
৭. মত্‍সজীবিদের আপদকালীন বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়ার জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখতে হবে

৮. দেশে কি পরিমাণ কৃষি জমি, প্রান্তিক কৃষক ও ভূমিহীন মজুর রয়েছে তা সুমারীর
gva¨‡g wbav©iY করতে হবে ৷ কৃষকের শ্রেণীভেদ অনুযায়ী কৃষকরা যাতে সরাসরি ভর্তুকি পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে
৯. ভূমিহীন কৃষি মজুরদের ১০০ দিনের কাজের নিশ্চিয়তা বাজেটে রাখতে হবে

১০. কৃষি খাতকে গতিশীল করার ল্যে বিএডিসি -কে সক্রিয় করতে হবে


we`y¨Z ও জ্বালানি

১. প্রতিটি গ্রামাঞ্চলকে
we`y¨Zvq‡bi আওতায় এনে কৃষিতে ‰e`y¨wZK সেচ সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে
২. জ্বালানি তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে, এ খাতে সরকারের
fZz©wKi পরিমাণ বাড়াতে হবে
 

পানি

১. ভৈরব, কপোতা এবং ভবদহ সহ অন্যান্য নদী সংস্কার ও নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য বাজেটে বরাদ্দ প্রদান করতে হবে
২.
¯^v¯’¨
myi¶vq নিরাপদ পানি একটি অন্যতম প্রধান উপাদান ৷ পানির অধিকার রায় ভূ-উপরস্থ পানির আধার সংরণ ও সমপ্রসারণের উদ্যোগ নিতে হবে ৷ এসব পানির আধারকে সামাজিক মালিকানায় এনে এর পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে
৩.
f~c„‡ôi পানির সংরণ বাড়ানোর জন্য পুকর খনন, পুরনো পুকর সংস্কার এবং খাল বিলের উন্নয়নের জন্য বাজেটে বরাদ্দ দিতে হবে
৪. জলমহালের ইজারা
cÖ_v  বিলুপ্ত করে প্রকৃত মত্‍সজীবিদের স্বল্প খাজনার বিনিময়ে জলমহালে প্রবেশাধিকার দিতে হবে ৷ এতে মাছের প্রজাতি বিলোপ রোধ হবে, পেশা পরিবর্তন কমবে এবং মাছের উত্‍পাদন বাড়বে
৫. গ্রাম ও শহরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য বাজেটে নির্দেশনা থাকতে হবে৷
৬. পানিকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে, পানির বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে৷

অন্যান্য

১. উচ্চাভিলাসী পণ্যের ওপর বেশি পরিমাণে শুল্ক বাড়ানো এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার

২.
`ybx©wZ দমন কমিশনে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ রাখা৷ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সিভিল সোসাইটির উদ্যোগে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে দুর্নীতি বিরোধী মোর্চা গঠন করা যেতে পারে৷
৩. প্রতিবন্ধীদের জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দ রাখতে হবে৷
৪.
পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন বরাদ্দ বিচ্ছিন্নভাবে না দিয়ে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেয়া হোক ৷ এতে উন্নয়ন কাজের সমন্বয় ও সম্পদের অপচয় র¶v পাবে
৫. উত্তরাঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল সহ বড় বড় মিল চালূ করতে হবে

 

 

© 2007 SUPRO, Bangladesh

 [ send your comments ] [ subscribe ] [ unsubscribe ] [ Send this page to a friend ]

eNewsletter by http://www.supro.org