প্রথম বর্ষ, ২য়  সংখ্যা,  মার্চ ২০০৭

 সংখ্যা : ১ম  ৩য়  ৪র্থ   5g    7g
   

   আমরা গণমানুষের পক্ষের সার্ক চাই
সার্কে সিভিল সোসাইটিকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে

 

সার্ককে আমরা গণমানুষের সার্ক হিসেবে দেখতে চাই৷ সার্ক নিয়ে বহুজাতিক কোম্পানির মদদপুষ্ট কার মটর শোভাযাত্রা  করার চেয়ে সার্ক দেশগুলোর মানুষের সম্পর্ক উন্নয়ন, দারিদ্র্য নিরসন, জলবায়ু দূষণ প্রতিরোধ, সার্ক দেশগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ, প্রতিবেশি দেশগুলোর সামরিক ব্যয় ও জাতীয় নিরাপত্তা , খাদ্য সার্বভৌমত্বের বিষয়গুলো বেশি করে আলোচনায় উঠে আসা উচিত৷ এগুলো গণমানুষের দাবি৷ সরকারি পর্যায়ে আলোচনায় এই দাবিগুলোর বেশিরভাগই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়৷ তাই আমরা চাই, সার্ক সম্মেলনে সিভিল সোসাইটির অংশগ্রহণ থাকুক, যাতে করে সার্ক সত্যিই ি এশিয়ার ১৫০ কোটি দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের মুখপাত্র হয়ে উঠতে পারে ৷ গত ১৭ মার্চ ২০০৭ শনিবার রিপোর্টাস ইউনিটি মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা সার্ক নেতৃবৃন্দের প্রতি এ আহ্বান জানান৷

আগামী ৩-৪ এপ্রিল ২০০৭ ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লীতে চতুর্দশ সার্ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে
৷ প্রায় দু'দশক আগে দক্ষিন এশীয় সাতটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনের ল্যে সার্ক গঠিত হলেও এ পর্যন্ত সার্ক এই অঞ্চলের মানুষের দারিদ্র্য নিরসন এবং জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি ৷ এমনকি সার্ক সনদে শান্তি, পারস্পরিক সমঝোতা, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের কথা থাকলেও তা বিবদমান দেশগুলোর সংকট নিরসনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি ৷ এসব কারণেই সুপ্র এই বিষয়গুলো দেশে এবং দেশের বাইরে সার্ক নেতৃবৃন্দের কাছে তুলে ধরতে চায় যাতে করে সার্ক সত্যিকার অর্থেই একটি আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র ও কেন্দ্র হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে৷ এ উপলক্ষে সুপ্র দেশে এবং দেশের বাইরে সেমিনার, কর্মশালা, গণমানুষের সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিয়েছে৷ এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুপ্র এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে

সংবাদ সম্মেলনে সাতটি বিষয়ে গবেষণালব্ধ তথ্য নিয়ে সাতটি ধারণা পত্র প্রকাশ করা হয়৷ ধারণাপত্রগুলো গবেষণা ও উপস্থাপনায় ছিলেন, মো: শামসুদ্দোহা, বরকত উল্লাহ মারুফ, সৈয়দ আমিনুল হক, মো: জাকারিয়া এবং সুপ্র'র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার রায়৷ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সুপ্র সচিব রেজাউল করিম চৌধুরী৷

সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত ধারণাপত্রগুলোতে
দক্ষিন এশিয়ার গণমানুষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ই বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটির অবস্থান তুলে ধরা হয়৷ ধারণাপত্রগুলোতে বলা হয়,


স্বল্পোন্নত দেশকে সহায়তা ছাড়া সাফটা হবে অর্থহীন


দণি এশীয় দেশগুলোর মধ্যে আর্থ-সামাজিক খাতে কৌশলগত উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি আঞ্চলিক বাণিজ্য অঞ্চল গঠন ,বাণিজ্য বৃদ্ধি, নিজেদের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস এবং বিশ্বায়নের আগ্রাসী প্রভাব থেকে নিজেদের বাজারকে রা করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ১৯৯৩ সালে
SAPTA (South Asian Preferential Trade Agreement   নামে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো অনুমোদন করে৷ ১০ম সার্ক সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো তাদের রপ্তানি বাজার সমপ্রসারণে অবাধ বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করে এবং নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে (SAFTA South Asian Free Trade Agreement)) নামে নতুন একটি চুক্তি স্বার করে যা ০১ জানুয়ারি ২০০৬ কার্যকর হয়৷ দক্ষি এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাওয়ার ল্যে সাফটা চুক্তি স্বারিত হলে এই চুক্তি স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে তিগ্রস্ত করছে৷ এই চুক্তির ফলে ভারত তাদের আমদানি পণ্যের শুল্কহার কমালেও বিভিন্ন অশুল্ক জনিত বাধার কারণে ভারতের সাথে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ ২০০৫-০৬ সালে ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমান ছিল ১৬০ কোটি টাকা৷
 


দক্ষিন এশিয়া : ২০১৫ অতিক্রমের বিকল্প পথ

সহস্রাব্দ উন্নয়ন ল্যমাত্রা সার্ক উন্নয়ন ল্যমাত্রায় পূনর্বিন্যস্ত



সার্কভুক্ত দেশগুলোতে সহস্রাব্দ উন্নয়ন ল্যমাত্রা সার্ক উন্নয়ন ল্যমাত্রায় পুনর্বিন্যস্ত হলেও এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১৩টি সার্ক সম্মেলনের কোনোটিতেই এই ল্যমাত্রা অর্জনে বাস্তবসম্মত কোনো পদপে গ্রহণ করা হয়নি৷ অথচ এ অঞ্চলের ১.৪৯ বিলিয়ন জনগণের মধ্যে এখনো ৪০০ মিলিয়ন লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে৷ যাদের সর্বনিম্ন আয় ২ ডলারের নিচে৷ এই দণি এশিয়ায়ই ২০০৬ সালে সামরিক খাতে মোট ব্যয় হয়েছে ৩১, ৭৫৬.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দিয়ে দণি এশিয়ার ১৫০ কোটি দরিদ্র মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন করা যেত৷ এই টাকা দিয়ে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রতিটি শিশুকে স্কুলে পাঠানো যেত, শিশু মৃত্যুর কমানো যেত দুই-তৃতীয়াংশ
 


সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ

প্রবাসীদের পাঠানো আয় দিয়ে বৈদেশিক বিনিয়োগের মুনাফা পরিশোধ করা যাবে না


বাংলাদেশে সম্প্রতি বৈদেশিক বিনিয়োগের প্রবণতা থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের তেল, গ্যাস, কয়লা এবং ডলারের রির্জাভ হচ্ছে বিদেশী কোম্পানিগুলোর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ৷ কোম্পানিগুলো সেখানেই বিনিয়োগ করবে যেখান থেকে তারা লাভ তুলে নিতে পারবে৷ এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে ২০০১-২০০৫ সালের মধ্যে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা নিয়ে গেছে ২৭৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার৷ অর্থাত্‍ বিনিয়োগের ১২৬% ৷ বাংলাদেশসহ সার্ক দেশগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ বেশি এসেছে সেবা থাতে অর্থাত্‍ যেখানে লাভের পরিমান বেশি৷ ২০০৪ সালে বাংলাদেশে মোট বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়েছে ৬৬০.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, এর মধ্যে ২৩৭ মিলিয়ন ডলারই বিনিয়োগ হয়েছে মোবাইল ফোন খাতে৷ এসব সেবা খাতে বিনিয়োগ মূলত মানুষের বাড়তি পয়সা লাভের আকারে তুলে নিয়ে যায়৷ আমরা সেবা খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ চাইনা ৷ আমরা চাই বৈদেশিক বিনিয়োগ আসুক ভারী শিল্পে এবং তা অবশ্যই দেশীয় কোম্পানির সমান সুবিধা নিয়ে

 


জিএমও মুক্ত দক্ষিন এশিয়া
জনগণের জন্য খাদ্য সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে হবে

আসন্ন সার্ক সম্মেলনে জনগণের খাদ্য সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে হবে৷ নয়া উদারবাদী অর্থনীতির কৌশলগুলোকে প্রতিহত করতে হলে দক্ষিন এশীয় দেশগুলোর সরকারকে সমন্বিত কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে৷ শুধু তাই নয় বিদেশী কোম্পানিগুলো প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে জিএমও বীজ ও কীটনাশকের ওপর নির্ভরশীল করে তোলার কৌশল অবলম্বন করছে৷ জিএমও প্রযুক্তি বাংলাদেশের খাদ্য সমস্যার সমাধান করবে এই যুক্তি দেখিয়ে তারা বিপুল পরিমান টাকা-পয়সা বিনিয়োগ করে জিন প্রযুক্তি জনপ্রিয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে ৷ এর ফলে একদিকে যেমন আমাদের জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে তেমনি কৃষি পণ্যের আমদানির ওপর সাধারণ মানুষকে নির্ভরশীল করে তুলছে ৷ কৃষির বাণিজ্যিকিকরণ করছে৷ আমরা চাই বহুজাতির কোম্পানির আগ্রাসন থেকে আমাদের খাদ্য ও জমিকে মুক্ত করতে৷ আমরা আশা করি, সার্ক নেতৃবৃন্দ এ সম্মেলনে এ ব্যাপারে কার্যকরী পদপে নিবেন৷


জলবায়ু পরিবর্তন
দক্ষিন এশীয় নেতৃবৃন্দকে পদপে নিতে হবে, এখনই


জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস দণি এশীয় দেশগুলোর জন্য একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে৷ এর ফলে দক্ষিন এশীয় দেশগুলো তিগ্রস্ত হবে সবচেয়ে বেশি৷ যেমন, বাংলাদেশের ১৭টি জেলা বিস্তীর্ণ উপকূলভাগে অবস্থিত৷ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ি জলবায়ু পরিবর্তনের এ কারণে উপকূলীয় জেলাগুলোতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতি বছর ৫.১৮ মিলিমিটার করে বৃদ্ধি পাচ্ছে যা ২০৫০ সালের মধ্যে ৮৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে৷ ফলে বাংলাদেশের ১৫-১৭% উপকূলীয় এলাকা সাগরে তলিয়ে যাবে এবং ২০-৩০ মিলিয়ন মানুষ বাস্তহারা হবে৷ এত লোকের পূনর্বাসন করা বাংলাদেশের একার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়৷ তাই জলবায়ু পরিবর্তনের এই ঝুঁকি কাটিয়ে সমতা সৃষ্টির জন্য এখনই সার্ক নেতৃবৃন্দকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে৷
 


দক্ষিন এশিয়ায় সামরিকায়ন: কার স্বার্থে? মূল্য দিচ্ছে কারা ?

দক্ষিন এশিয়ায় সামরিকায়ন বলতে প্রথমেই যে কথাটি সবার মনে আসবে তা হচ্ছে পাক-ভারত সম্পর্ক ৷ ১৯৪৭ সালে এই দেশ দুটো স্বাধীন হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত চির বৈরী সম্পর্কের কারণে তাদের বাজেটের একটা বড় অংশ বরাদ্দ থাকে সামরিক ব্যয়ে অর্থাত্‍ পরস্পরের ধ্বংসের জন্য৷ অথচ এই দনি এশিয়া পৃথিবীর দরিদ্রতম মানুষের আবাসভূমি৷ এ অঞ্চলের ১.৪৯ বিলিয়ন জনগণের মধ্যে এখনো ৪০০ মিলিয়ন লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে৷ যাদের সর্বনিম্ন আয় ২ ডলারের নিচে৷ অথচ এই দক্ষিন এশিয়ায়ই ২০০৬ সালে সামরিক খাতে মোট ব্যয় হয়েছে ৩১, ৭৫৬.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দিয়ে দণি এশিয়ার ১৫০ কোটি দরিদ্র মানুষের দারিদ্র বিমোচন করা যেত৷ এই টাকা দিয়ে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রতিটি শিশুকে স্কুলে পাঠানো যেত, শিশু মৃতু হার কমানো যেত দুই-তৃতীয়াংশ৷ মানব হত্যার জন্য মানুষ যত অর্থ, শ্রম ও মেধা ব্যয় করেছে, বিজ্ঞান ও মানবাধিকারের জন্য তার শতাংশ ব্যয় করলে আমরা অন্য এক পৃথিবী পেতাম৷ এই সার্ককে যদি আমরা পারস্পরিক দেশগুলোর মানুষের শান্তি, জীবন মান উন্নয়ন পরস্পরের সম্পর্ক উন্নয়নের নিরিখে বিচার করি তাহলে সার্ক কার্যকারীতা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়৷ আমরা চাই সার্কের আলোচনায় এই বিষয়গুলো উঠে আসুক৷ ১৪তম সার্ক গণমানুষের সার্ক হোক৷

 


অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিকের মুক্ত চলাচল :
সার্ক নেতৃবৃন্দের ঐক্যবন্ধ অবস্থান নির্ধারিত থাকা প্রয়োজন


বিদেশী শ্রমবাজারে বাংলাদেশসহ দক্ষিন এশিয়ার সকল দেশের অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিকের কর্মসংস্থান একটি সম্ভাবনাময় খাত ৷ এই খাত হতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বছরে প্রায় ১.৭ বিলিয়ন রেমিটেন্স যোগ হয়, যা বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দিক থেকে দেশের বৃহত্‍ রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের পরেই অবস্থান করছে৷ এরকম দক্ষিন এশিয়ার প্রতিটি দেশ থেকে অনেক অদক্ষ ও আধা দক্ষ শ্রমিক বিভিন্ন উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে, কিন্তু ইতোমধ্যে ১৩টি সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও স্বল্পমেয়াদী অভিবাসন আলোচনার টেবিল পর্যন্ত আসেনি৷ সার্ক অঞ্চলের অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিকের বিশ্বশ্রম বাজারে অবাধে চলাচল নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে সিভি সোসাইটির পক্ষ থেকে কতগুলো দাবি উপস্থাপন করা হয়৷ এখানে বলা হয়, একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দেশের নাগরিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৷ কারণ সরকারী পর্যায়ের আলোচনায় অনেক সময় জন অংশগ্রহণ থাকে না এবং আলোচনার বিষয়বস্তুও অনেক সময় বিদেশী কোম্পানীগুলোর স্বার্থে পরিচালিত হয় ৷ বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এবং বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নেও সিভিল সোসাইটি পর্যবেক্ষর সুযোগ রয়েছে তাই আমাদের দাবি ১৪তম সার্ক সম্মেলনে  দক্ষিন এশিয়ার সকল সদস্য দেশগুলোর সিভিল সোসাইটির অংশগ্রহণ সুযোগ সৃষ্টি করা হোক
 

 

 

© 2007 SUPRO, Bangladesh

 [ send your comments ] [ subscribe ] [ unsubscribe ] [ Send this page to a friend ]

eNewsletter by http://www.supro.org